সিউল ঘোষণা অনুমোদনের পর শেষ হলো আইসিএপিপি সম্মেলন
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত এশিয়ার রাজনৈতিক দলসমূহের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের (আইসিএপিপি) ১৩তম সাধারণ অধিবেশন স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শেষ হয়েছে। রূপান্তরিত বিশ্বে আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এশিয়ার ৩৬ দেশের ৮৩টি দলের তিন শতাধিক প্রতিনিধি সমাপনী অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে সিউল ঘোষণা অনুমোদন করেন।
ঘোষণায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, দায়িত্বশীল জাতীয় নেতৃত্ব, শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিভাজন পেরিয়ে অব্যাহত সংলাপ ও সহযোগিতার কথাও বলা হয়। নেতারা আইসিএপিপিকে বিভিন্ন মতাদর্শের দলের সংলাপের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতা ও আইসিএপিপির নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারপারসন ইসমাইল জবিউল্লাহ আজ বিকেলে হোটেল শিলার ডাইনেস্টি হলে সম্মেলনের পঞ্চম ও শেষ প্ল্যানারি সেশনে সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, এই সম্মান ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশ ও বিএনপির প্রতি এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা ও বন্ধুত্বের প্রকাশ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সদস্য দলগুলো ঘোষণা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করবে এবং আইসিএপিপি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এই সেশনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়াসহ ১৯ জন বক্তব্য দেন। এর আগে আজ আরও দুটি প্ল্যানারি সেশনে ৩১ জন প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইমতিয়াজ আহমেদ সজল ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মমতাজ উদ্দিন।
সমাপনী দিনে ইসমাইল জবিউল্লাহ ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আইসিএপিপির চেয়ারম্যান চুং জং-সেকসহ শীর্ষ নেতাদের শুভেচ্ছা স্মারক দেন এবং বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এর আগে গত রাতে কোরিয়ার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার চো জেয়ং সিক প্রতিনিধিদের সম্মানে গালা ডিনারের আয়োজন করেন।