কোম্পানীগঞ্জে নতুন কূপে মিলল গ্যাস, দৈনিক গ্রিডে যুক্ত হবে ১ কোটি ঘনফুট
ডেইলি সান রিপোর্ট, নোয়াখালী
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কূপটির দুটি জোনে ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত রয়েছে। এখান থেকে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১০ মিলিয়ন (এক কোটি) ঘনফুট গ্যাস।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে অগ্নিপ্রজ্বালনের মাধ্যমে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে দেশের জ্বালানি খাতে আরেকটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) জানায়, চলতি বছরের গত ৮ জুলাই শুরু হওয়া এই কূপটির খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে আজ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক উদ্যোগে এবং বাপেক্স পরিচালিত ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
বাপেক্সের নিজস্ব ‘বিজয়-১০’ রিগ বা খননযন্ত্র ব্যবহার করে চলতি বছরের গত ৮ জুলাই সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের খননকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে চলা এ অভিযানে কূপটি ৩ হাজার ২৮৯ মিটার গভীর পর্যন্ত সফলভাবে খনন করা হয়। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে কূপটির দুটি আলাদা জোনে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।
বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, কূপটির এই দুটি জোনে মোট ৯ হাজার ৭৬৯ কোটি ঘনফুট বা ৯৭.৬৯ বিসিএফ গ্যাসের মজুত রয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ের বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করলে এই গ্যাসের আনুমানিক মূল্য ৫ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা।
সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ‘কূপটিতে গ্যাসের পাশাপাশি তেল বা অন্য কোনো খনিজ পদার্থ রয়েছে কি না, তা আগামী ১৫ দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ডিএসটি পরীক্ষা শেষে সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব হবে।’