EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ঢাকা দক্ষিণে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু, ফরম বিতরণ কাল থেকে

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

ঢাকা দক্ষিণে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু, ফরম বিতরণ কাল থেকে
অ অ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা বা ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামীকাল ৩ নভেম্বর থেকে ১০০ টাকা মূল্যে নিবন্ধন আবেদন ফরম বিতরণ করা হবে। নগর ভবন ও ডিএসসিসির সব আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে এসব ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট কমানো এবং নিরাপদ নগর পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসসিসি। স্থানীয় সরকার বিভাগ জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ অনুসরণ করে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) নগর ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও নগরবাসীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে নতুন বিধিমালা অনুযায়ী এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু আবেদন ফরম সংগ্রহ করলেই নিবন্ধন পাওয়া যাবে না। নির্ধারিত শর্ত পূরণ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি মানদণ্ড অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য যানবাহনকে সনদ দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সব ই-রিকশাকে নিয়মের আওতায় এনে সড়কে অননুমোদিত ও অনুপযুক্ত যানবাহনের সংখ্যা কমানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

নিবন্ধনের আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আবেদনপত্রের সঙ্গে কয়েকটি কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, ফি জমার মূল রসিদ এবং নির্ধারিত ফরমে ফিটনেস সনদ।

আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি ই-রিকশার কারিগরি উপযুক্ততা পরীক্ষা করা হবে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুসারে এ পরীক্ষা করা হবে। নিবন্ধনের জন্য বুয়েটের কারিগরি ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক।

একজন ব্যক্তি তার একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। একইভাবে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে ফরম সংগ্রহ বা আবেদন জমা দিলেই নিবন্ধন নিশ্চিত হবে না। নির্ধারিত সব মানদণ্ডে উত্তীর্ণ যানবাহনই নিবন্ধন সনদ পাবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসি এলাকাকে চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব জোনে চলাচলের রুট নির্ধারণ ও ই-রিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ট্রাফিক পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে জোনভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে।

নতুন বিধিমালার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকায় পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সিটি করপোরেশন। এ কার্যক্রমে নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন