EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ড. মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার তদন্তে খন্দকার আব্দুল হাফিজের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশের অভিযোগ, তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষসহ অন্যদের সঙ্গে যোগসাজশে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, ‘Unity Care Public Parliament’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন খন্দকার হাফিজ। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

এ ছাড়া নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার মতো কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের অভিযোগ করেছে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় অবৈধ অর্থায়ন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে অস্ত্র মামলার আসামি ও তাঁদের সহযোগীদের নিয়ে সরকার এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

খন্দকার হাফিজকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পক্ষে ছয়টি কারণ তুলে ধরেছে পুলিশ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মামলার সহযোগী আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা এবং ডিজিটাল আলামত উদ্ধার।

এ ছাড়া তাঁর নিয়ন্ত্রণে অন্য কোনো ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ রয়েছে কি না, তা যাচাই, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষা করার কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন