EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

পাট খাতের উন্নয়নে অর্থের চেয়ে চীনের প্রযুক্তি বেশি প্রয়োজন: পাটমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২০ পিএম

পাট খাতের উন্নয়নে অর্থের চেয়ে চীনের প্রযুক্তি বেশি প্রয়োজন: পাটমন্ত্রী
অ অ

পাট খাতের উন্নয়নে আর্থিক বিনিয়োগের চেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পাটের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উচ্চমূল্যের বহুমুখী পণ্য তৈরিতে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা চান তিনি।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) ও চীনের জিয়াংনান ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. জাহিদ হোসেন এবং চীনের পক্ষে জিয়াংনান ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক মা পিবো।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শুধু কাঁচা পাট ও সুতা রপ্তানিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের বহুমুখী পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানো সরকারের লক্ষ্য।

সমঝোতার আওতায় পাটের উন্নত বীজ উৎপাদন, ফলন বৃদ্ধি, বহুমুখী ব্যবহার এবং বস্ত্র খাতে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির প্রয়োগে যৌথভাবে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণা সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ জানিয়েছে চীনা প্রতিনিধিদল।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) ও জেডিপিসিকে জিয়াংনান ইউনিভার্সিটির গবেষণাগারের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া গেলে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পাটপণ্য তৈরির সক্ষমতা বাড়বে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, এ সহযোগিতায় উন্নত কাপড় ও বহুমুখী টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাট খাতের রপ্তানি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

আরও পড়ুন