EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ট্রাস্টের লোকসানি ও পরিত্যক্ত প্রতিষ্ঠান সচল করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ট্রাস্টের লোকসানি ও পরিত্যক্ত প্রতিষ্ঠান সচল করা হবে: প্রতিমন্ত্রী
অ অ

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন পরিত্যক্ত ও লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে সেগুলো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে পুনরায় পুরোদমে চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, এমপি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া শিল্প এলাকায় অবস্থিত ট্রাস্টের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর ১০ একর জায়গা ও পরিত্যক্ত কারখানাটি সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এই কথা বলেন। দুই দিনের চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, এমপি ট্রাস্টের বিভিন্ন সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌বিগত ১৭ বছর ধরে চরম অব্যবস্থাপনার কারণে আমাদের দেশের বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সম্পদ ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল।

‘শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পদ পরিত্যক্ত ফেলে রেখে কিংবা বিক্রি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সম্পূর্ণ শূন্য ও দেউলিয়া করে দেওয়ার একটা চক্রান্ত ছিল। এই দীর্ঘদিনের অবহেলার ফলে রাষ্ট্রের যেমন বিপুল ক্ষতি হয়েছে, তেমনি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারাও তাদের ন্যায্য কল্যাণ ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের বর্তমান সরকার সেই ধ্বংসাত্মক ও লোকসানি পরিস্থিতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে। যেহেতু আমাদের সরকার একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার, তাই জনগণের এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি সম্পদের সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই আমাদের স্পষ্ট লক্ষ্য।

পরিত্যক্ত কারখানা ও সম্পত্তি পুনরায় চালুর পরিকল্পনা উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, ইস্টার্ন কেমিক্যালের এই বিশাল ১০ একর পরিত্যক্ত জায়গা এবং এর কারখানাকে আধুনিক ও লাভজনক প্রজেক্টের মাধ্যমে কীভাবে পুনরায় পুরোদমে কাজে লাগানো যায়, আমরা এখন ঠিক সেই সম্ভাব্যতা ও পরিকল্পনাগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছি।

আমরা এখানে এমন প্রজেক্ট বা প্রকল্প গ্রহণ করার পরিকল্পনা করছি, যার মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন