১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট বন্ধ
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে এর কার্যক্রম বন্ধ রাখায় আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-রিয়াদগামী সকল ফ্লাইট স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দেশটির দাম্মাম ও মদিনা বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধায় নিরাপত্তাজনিত কারণে ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ)। এ অবস্থায় বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের মদিনা ও দাম্মাম হয়ে সৌদি আরবে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ফ্লাইট কিন্তু আমরা আমাদের বিমানবন্দর থেকে বন্ধ করিনি। এটা তারাই বন্ধ করেছে। সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে আমরা জানি। তবুও ভালোর জন্য ও জীবন রক্ষার্থে আমাদের এটুকু কষ্ট মেনে নিতে হবে।’
এ পরিস্থিতিতে রিয়াদগামী যাত্রীদের মদিনা হয়ে সৌদি আরবে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এক্ষেত্রে যাদের ভিসার মেয়ার শেষ হওয়ার কাছাকাছি ও রিয়াদগামী ফ্লাইট নির্ধারিত ছিল তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের টিকিট কোনো বাতিল ফি ছাড়াই পুনরায় ইস্যু করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে, শনিবার (১০ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলা চালায়। এতে ১২ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি। হামলায় বাংলাদেশিসহ অন্তত ৩০৯ জন আহত হন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রধান কার্যালয় বলাকার টিকিট কাউন্টারে ভিড় করেন রিয়াদগামী যাত্রীরা। নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েন যাত্রীরা। তবে কেউ কেউ বিকল্প পথে যাওয়ার টিকিট পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। কেউ এখনো অপেক্ষমান আছেন।
রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে ঢাকা-রিয়াদ রুটের ফ্লাইট সূচিতে বিঘ্ন ঘটে। এতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রবিবার থেকেই টিকেটের জন্য অপেক্ষমান অনেক যাত্রী।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৫১টি ফ্লাইটের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি সরাসরি এবং ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটের কারণে মোট ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা ও পরিবর্তিত সময়সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
-6acc493cef020.jpg)