ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের স্বীকৃতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহ্দী আমিন
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম
বিএইটিই সিম্পোজিয়ামে বক্তব্য দিচ্ছেন উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। ছবি: সংগৃহীত
আধুনিক প্রশিক্ষণ, বৈশ্বিক সংযোগ ও শিল্পের সাথে সমন্বয়ে দক্ষ হয়ে উঠবে দেশের প্রকৌশলীরা বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
বিপুল জনসমর্থন নিয়ে গঠিত বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তরুণ প্রকৌশলীদের যথাযথ ক্ষমতায়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বীকৃত ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই রূপরেখা বাস্তবায়ন এবং আরও বেশি প্রোগ্রামকে এই আন্তর্জাতিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিএইটিই জাতীয় সিম্পোজিয়াম ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
দ্য ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর বোর্ড অফ অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন (বায়েট) এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়াবে উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ও উচ্চশিক্ষা সংস্থায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা তাঁদের অসাধারণ উৎকর্ষের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন। তাই তরুণদের মেধার কোনো সংকট নেই; আসল বিষয়টি হলো সরকার হিসেবে তাঁদের জন্য সঠিক সুযোগ, উপকরণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ভিত্তি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে কি না।
বিশ্বমানের প্রকৌশল শিক্ষা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক স্বীকৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, আন্তঃসীমান্ত শিক্ষার প্রসারে আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন অত্যন্ত জরুরি, যার উজ্জ্বল উদাহরণ ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড ও ডাবলিন অ্যাকর্ড। দেশীয় প্রকৌশল শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে একটি কার্যকর ও সমন্বিত প্রমিত মানদণ্ড গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষার মান উন্নয়নে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সঠিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত বজায় রাখা, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী নিশ্চিত করা, গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা আবশ্যক। এছাড়া মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নাল ব্যবহারের সুবিধা সহজলভ্য করার মাধ্যমে দেশের প্রকৌশল শিক্ষা খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি।