EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

উৎপাদন শুরুর দুই দিন পরই বন্ধ যমুনা সার কারখানা

ডেইলি সান রিপোর্ট, জামালপুর

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পিএম

উৎপাদন শুরুর দুই দিন পরই বন্ধ যমুনা সার কারখানা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী যমুনা সার কারখানা দীর্ঘ আট মাস পর উৎপাদনে ফেরার দুই দিনের মাথায় আবারও বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে বয়লার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ থাকার পর গত সোমবার (৫ অক্টোবর) গভীর রাতে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে দুই দিন পরই বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। তবে কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি মেরামত করা হলে আবার উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে।

উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও গত দুই দিনে কারখানাটিতে মোট ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়েছে। 

যমুনা সার কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, বয়লার প্ল্যান্টের ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে। ত্রুটি ঠিক হলে দুই দিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু হতে পারে।

গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ ছিল যমুনা সার কারখানা। পরে গ্যাসের চাপ বাড়লে উৎপাদন শুরু হয়। তবে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটের কারণে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কারখানাটিতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে ৫ অক্টোবর ভোররাতে আবার উৎপাদন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

যমুনা সার কারখানা বিসিআইসির তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে।

কারখানা স্বাভাবিকভাবে চললে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানার লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে কারখানা বন্ধ থাকলেও শুধু প্ল্যান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল বাবদ প্রায় ৬ কোটি টাকা খরচ হয়।

আরও পড়ুন