উপজেলা-থানা আনসারদের ২৮ দিনের অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ শুরু
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিনের আলোকে উপজেলা ও থানা আনসার সদস্যদের ২৮ দিনব্যাপী অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর থেকে আনসার ব্যাটালিয়নের দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (এএফডি) ‘ট্রেইনিং অব ফোর্সেস আন্ডার পিপলস ওয়েলফেয়ার ডকট্রিন’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ‘উপজেলা/থানা আনসার অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ-২০২৬’ পরিচালিত হচ্ছে।
পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্বে গাজীপুরের সফিপুর আনসার ব্যাটালিয়ন (২৭ বিএন) এবং পটুয়াখালী আনসার ব্যাটালিয়ন (৩১ বিএন)-এ প্রশিক্ষণ চলছে। উপজেলা ও থানা আনসারের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ২০০ সদস্য এ পর্বে অংশ নিচ্ছেন।
আনসার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগির আরও আটটি আনসার ব্যাটালিয়নে এ প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উপজেলা ও থানা আনসার কোম্পানির স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সক্ষমতা বাড়ানোই এর লক্ষ্য।
দেশের প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের প্রস্তুত করাও এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের তত্ত্বাবধানে এবং এএফডির সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকেরা এতে যুক্ত রয়েছেন।
প্রশিক্ষণে ফায়ারিংয়ের মৌলিক বিষয়, নিশানা গ্রহণের সাধারণ নীতি ও ফায়ারিং নিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তবমুখী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পদাতিক বাহিনীর সাধারণ পরিচিতি ও পদাতিক কোম্পানির সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।
রণক্ষেত্রে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে ছদ্মবেশ, গোপনীয়তা ও আড় ব্যবহারের নিয়ম নিয়েও তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিনের আলোকে উপজেলা ও থানা আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় সামরিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁদের প্রস্তুত করা হচ্ছে।