পর্যটনশিল্পের আধুনিকায়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, আইন ও নীতিমালার আধুনিকায়ন এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যটন শুধু অবকাশযাপনের সুযোগ নয়; এটি কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তিনি বলেন, এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় আগামীর পর্যটন’ পর্যটনের ভবিষ্যৎ রূপান্তরের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা ও স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারে পর্যটনসেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তারেক রহমান বলেন, জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, আইন ও নীতিমালার আধুনিকায়ন এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরে ৩০টির বেশি জেলায় পর্যটন ক্লাস্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি কমিউনিটি, ইকো, গ্রামীণ, কুলিনারি, নদী ও উপকূলীয় পর্যটনের বিকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্প্রসারণে ২০৩৪ সালের মধ্যে বিস্তৃত জাতীয় বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পর্যটনের বিকাশ হতে হবে পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকার, বেসরকারি খাত, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণ সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে বাংলাদেশকে নিরাপদ, টেকসই, প্রযুক্তিনির্ভর ও বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।