EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে সেতু নির্মাণে অনিয়ম: প্রকৌশলী ও কার্যসহকারী বরখাস্ত

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

নোয়াখালীতে সেতু নির্মাণে অনিয়ম: প্রকৌশলী ও কার্যসহকারী বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মানাধীন সেতুর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেতুর ফুটপাতে স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের এ ঘটনাটি তদন্তে নিয়োগ হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

বরখাস্তকৃতরা হলেন এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম ও কার্যসহকারী মহিন উদ্দিন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।  

আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করায় সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে একই বিধিমালার ১২(১) বিধি অনুযায়ী চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। তবে বরখাস্তকালীন ভোরণপোষণের ভাতা পাবেন।

এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট থেকে সাহেবেরহাট ও হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে ৪৯ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। মেসার্স হক ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান এর দায়িত্বে রয়েছে।

নোয়াখালী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল, বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে এ ঘটনায় পৃথক ৪টি চিঠি দেওয়া হয়েছে। 

পৃথক আরেক অফিস আদেশে বলা হয়, তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নোয়াখালী জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়ক  এ এস এম মহসীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগের তদন্ত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই প্রকৌশলীর কাছে এ ঘটনায় কৈফিয়ত তলব করা হয়েছিল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ত্রুটিপূর্ণ কাজ সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর এলজিইডির সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা সেতুটির নির্মাণকাজ সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের। যা নকশা ও স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত। একই সঙ্গে রেলিংয়ের রডের কাজও নিম্নমানের দেখা যায়।

আরও পড়ুন