EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বালু নদী ভরাট: প্রাণ-আরএফএলের দুই কর্মকর্তার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ এএম

বালু নদী ভরাট: প্রাণ-আরএফএলের দুই কর্মকর্তার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

রাজধানীর খিলক্ষেতে বালু নদী ভরাটের মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই কর্মকর্তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় বালু বহনে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানের দুই মালিককে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহান। তাদেরকে তিন বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে।

এ ছাড়া বালু বহনের কাজে ব্যবহৃত সোহা মেসার্স মদিনার পথের মালিক মোক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রায় ঘোষণার সময় চার আসামির কেউই আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, নদী ভরাটের কাজে সরঞ্জাম ও পরিবহন সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে বাকি দুই আসামিকেও সাজা দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল ও দূষণ রোধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বিআইডব্লিউটিএ ও পুলিশের কর্মকর্তারা খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় বালু নদী পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তারা দেখতে পান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষ থেকে নদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেও নদী ভরাটের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর ২০২২ সালের ৩১ মে চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেন। পরে ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি এখনো পাওয়া যায়নি। তাই আদালতের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর জানা যাবে।

আরও পড়ুন