সিউল সম্মেলন
টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান সেতুমন্ত্রীর
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
টেকসই, সহনশীল ও সবার জন্য উপযোগী অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অপারেশন কনফারেন্স (জিআইসিসি) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয় (এমওএলআইটি)। সম্মেলনটি ব্যবস্থাপনা করছে ইন্টারন্যাশনাল কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়া (আইসিএকে)। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘কো-অপারেশন অন গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্টস ওপেনড বাই এআই’।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী এবং বড় নির্মাণ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম বলেন, অবকাঠামো শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নয়, আঞ্চলিক যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাই টেকসই ও সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়নের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমন্বিত, কার্যকর, কম কার্বন নিঃসরণকারী ও জলবায়ু সহনশীল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন উন্নয়ন অংশীদারের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) সহযোগিতা, বিদেশি বিনিয়োগ, সহজ শর্তের অর্থায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে কাজ করতে বাংলাদেশ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন সেতুমন্ত্রী।
জিআইসিসি ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। Recommended Stories

