EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা করে ফায়দা নেয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না: জি কে গউছ

ডেইলি সান রিপোর্ট, সুনামগঞ্জ

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা করে ফায়দা নেয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না: জি কে গউছ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

ডিসেম্বরকে সামনে রেখে দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা করে ফায়দা নেয়ার কোনো সুযোগ দেয়া যাবে না। তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন জাতীয় সংসদ হুইপ মো. জি কে গউছ, এম.পি। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন তিনি।

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা আসার প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ-৩ আসনের এ সংসদ সদস্য জানান, ডিসেম্বরকে সামনে রেখে কেউ দুর্গাপূজাকে ঢাল হিসাবে নিতে পারে। সামনে দুর্গাপূজা, বিএনপির জন্য প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনার সাথে প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও পাহারা দেওয়ার প্রতি গুরুত্ব দেন এই সংসদ সদস্য।

এসময় তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মণ্ডপের দায়িত্বশীল যারা তারা নিজ দায়িত্বে সিসি ক্যামেরা লাগাবেন। তা না হলে কোনো কারণে যদি মন্দিরে বিশৃঙ্খলা ও দূর্ঘটনা ঘটে তাহলে বুঝতে হবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের সাথে মন্দির সংশ্লিষ্টরা জড়িত আছেন।

হুইপ মো. জি কে গউছ আরও বলেন, আগে রাতে ভোট দেয়া হত, নির্বাচিত হতো, এরপর মিটিংয়ে এসপি ডিসি সাব জোর গলায় বলতো এত লাফান কেন ৪০ পার্সেন্ট ভোট দিয়েছি। এই বার কোনো এসপি ডিসি সাব বলতে পারবে না দুইটা ভোট দিয়ে সহযোগীতা করেছে। ধানের শীষ সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। এই সরকারকে সরানো এত সহজ না।

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে জি কে গউছ বলেন, আমরা কিন্তু রাতের ভোটে নির্বাচিত হইনি, জনগনের ভোটে আর দিনের বেলায় প্রকাশ্যে ভোট দিয়েছে জনগণ। আমরা কে কোন দল করতো, মাঠে কি করছেন ছাত্র জীবনে কোন দল করতেন তা দেখবো না। আমরা দেখবো আপনাদের কার্যক্রম দেশ, সরকার ও জনগণের কল্যানের জন্য কি না।

হুইপ বলেন, যদি দেশ, সরকার ও জনগনের কল্যাণের জন্য হয় তাহলে ভাল না হলে আমরাও আমাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। আমরা বিগত দিনের মত কোনো বৈষম্য করতে চাই না। সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা দল বিবেচনা করে নয় যোগ্য ও পাওয়ার অধিকার যারা রাখে তাই পাবে।

মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সাবধান করে তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। মাদক আটকের পর যারা তদবির করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনবেন। যুব সমাজকে ধবংসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরী করছেন।

এসময় তিনি নৌ-পথে বিআইডব্লিউটিএ সহ সকল ঘাটে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি বন্ধে জেলা প্রশাসক কে কঠোর নির্দেশনা দেন এবং সরকার নির্ধারিত টোলের বাহিরে টাকা নিলে সে যেই হউক তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশনা দেন।

সুনামগঞ্জ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ, নূরুল ইসলাম, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো.মিজানুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক এ কে এম জাকারিয়া কাদির, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বনিক, সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে তত্ত্ববধায়ক ডা.আলী আশরাফ সোহাগসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন