EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবন

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০১:২০ পিএম

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবন
অ অ

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবনের দরবার হল। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে।’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই শপথ অনুষ্ঠানে ১২ শ-র অধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন।

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ কার্ডে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমন করবেন। জাতীয় সঙ্গীত ও কোরআন তেলাওয়াতের পর স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন। গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।

রাষ্ট্রপতির এই ভোটে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হচ্ছেন বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভোট গণনা শেষে বিকেলে সংসদকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। রাতে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় সেবারই ভোটাভুটি হয়েছিল। এর ৩৫ বছর পর একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

আরও পড়ুন