EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

এখন থেকে প্লাস্টিক বর্জ্যের দায়ও নিতে হবে উৎপাদনকারীদের, নতুন নির্দেশিকা জারি

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

এখন থেকে প্লাস্টিক বর্জ্যের দায়ও নিতে হবে উৎপাদনকারীদের, নতুন নির্দেশিকা জারি

প্লাস্টিক বর্জ্য পুনঃচক্রায়নের কার্যক্রম—নতুন ইপিআর নির্দেশিকার আওতায় প্লাস্টিক উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের জন্য এখন এই দায়িত্ব বাধ্যতামূলক।

অ অ

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ গেজেটে ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) বিষয়ক নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রকাশ করেছে।

নির্দেশিকাটি প্লাস্টিক পণ্যের প্রস্তুতকারক, আমদানিকারক ও ব্র্যান্ড মালিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে; তবে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এর আওতাবহির্ভূত থাকবে। প্লাস্টিক পণ্যকে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে ধাপে ধাপে (বৃহৎ, মাঝারি, ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠান) প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হবে, যাদের ছয় মাসের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

প্রথম দুই বছরে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ বর্জ্য সংগ্রহ ও ৭.৫ শতাংশ পুনঃচক্রায়ন এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ৩০ শতাংশ সংগ্রহ ও ১৫ শতাংশ পুনঃচক্রায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত সংগৃহীত বর্জ্য ‘প্লাস্টিক ক্রেডিট’ হিসেবে বিক্রিরও সুযোগ থাকছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে হবে, ব্যর্থ হলে নিবন্ধন নবায়ন হবে না।

মন্ত্রণালয়ের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ বর্জ্য সংগ্রহ অবকাঠামো সম্প্রসারণ, অপ্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য সংগ্রাহক খাতের আনুষ্ঠানিকীকরণ ও সার্কুলার ইকোনমি বিকাশে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন