EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

রংপুর

তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়ক ভাঙাচোরা, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আশপাশের ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষকে

ডেইলি সান রিপোর্ট, তারাগঞ্জ (রংপুর)

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়ক ভাঙাচোরা, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ

রংপুরের তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের একাংশে কার্পেটিং উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত, যা দিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

অ অ

রংপুরের তারাগঞ্জ-বুড়িরহাট সড়কের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশই এখন চলাচলের অনুপযোগী। কার্পেটিং উঠে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত, কোথাও আবার জমে থাকছে পানি। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আশপাশের অন্তত ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষকে।

‘রাস্তায় ভ্যানে উঠলে শরীরের হাড় পর্যন্ত নড়ে ওঠে। এতটাই ভাঙাচোরা যে চলাচল করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। রাস্তার কাজ না হওয়ায় ব্যবসাতেও লোকসান হচ্ছে,’ বলছিলেন তারাগঞ্জের মুদি ব্যবসায়ী রুবেল ইসলাম। তাঁর মতো ওই এলাকার হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচের চিহ্নও নেই। একটির পর একটি গর্ত এড়িয়ে চলছে অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল। কোথাও গর্ত এতটাই বড় যে চাকা পড়ে গেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।

বুড়িরহাট, চড়কডাঙা, মাছুয়াপাড়া, ফরিদাবাদ, বৈদ্যনাথপুর, বিষ্ণুপুর, তেলিপাড়া, ফুলবাড়ি, বড়বাড়ি, হাজীপাড়া, পলাশবাড়ীসহ আশপাশের অন্তত ১৫টি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।

ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব হোসেন বলেন, ‘ভ্যান বা অটোতে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি লাগে। রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে সরু হয়ে গেছে। প্রায়ই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে।’

ইজিবাইকচালক গোবিন্দ রায় বলেন, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। যাত্রীও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। বর্ষায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে, গর্তে পানি জমে থাকায় গভীরতা বোঝা যায় না, ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত সংস্কারকাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান ডেইলি সানকে বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই সংস্কারকাজ শুরু হবে।

আরও পড়ুন