ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ ২০২৮ সালের জুনে শেষ করার নির্দেশ
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। আগামী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালককে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সেতু বিভাগের সচিবের সঙ্গে প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের (সিআরসিসি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিআরসিসির চেয়ারম্যান উ ইয়ানকুন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রীর সরবরাহ বাড়ানো এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সেতু সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকা ইপিজেড এলাকার যোগাযোগব্যবস্থারও আমূল উন্নয়ন হবে।
তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে ঢাকার নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ আরও সহজ হবে। এর ফলে পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতের সময় কমার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৈঠকে সিআরসিসির চেয়ারম্যান উ ইয়ানকুন বাংলাদেশ সরকার, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আন্তর্জাতিক মানের প্রকৌশল প্রযুক্তি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনবল, যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রীর সরবরাহ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্মাণকাজ চলাকালে সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড এবং উন্নত নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিত করার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রকল্পের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর জোর দেন সেতু বিভাগের সচিব। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জিটুজি ভিত্তিতে বাস্তবায়নাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলের যানজট নিরসন এবং দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।