EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দক্ষিণ সুদান ও আবেই শান্তিরক্ষা মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৫ পিএম

দক্ষিণ সুদান ও আবেই শান্তিরক্ষা মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

দক্ষিণ সুদান ও আবেইয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তিনি দেশে ফেরেন।

সফরকালে সেনাপ্রধান দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান (ইউএনএমআইএসএস) এবং আবেইয়ে ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই (ইউএনআইএসএফএ)-তে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন।

দক্ষিণ সুদানে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট এবং আবেইয়ে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন তিনি।

মিশন এলাকা পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ইউএনএমআইএসএস ও ইউএনআইএসএফএ-তে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, সামরিক পর্যবেক্ষক ও কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তাঁদের কার্যক্রম এবং মিশনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন তিনি।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান ইউএনএমআইএসএসের ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুনহুই উ এবং ইউএনআইএসএফএর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গণেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় মিশনের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন আভিযানিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া আবেইয়ে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান।

পরে দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চোল থন বালক এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যান্টিনো ডেং উলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সেনাপ্রধানের এ সফর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল আরও বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ সুদান, আবেই ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের পরিধি সম্প্রসারণেও এ সফর সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন