EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

মাদক কারবারি ও মূল হোতাদের নিরপেক্ষ তালিকা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, কক্সবাজার

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

মাদক কারবারি ও মূল হোতাদের নিরপেক্ষ তালিকা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

দেশের শীর্ষ মাদক কারবারি, মাদক চোরাকারবারি ও মূল হোতাদের একটি নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তালিকার ভিত্তিতেই সরকার পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মাদকের চোরাচালান, বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের হিল ডাউন সার্কিট হাউজে জেলা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী বলেন, যেসব রুট ব্যবহার করে মাদক চোরাচালান হয়, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ বাহিনী অথবা পৃথক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্দিষ্ট এলাকার দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি আরো বলেন, স্থলপথের পাশাপাশি সমুদ্র ও নদীপথে মাদক পাচার রোধে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার করা হবে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি আরো বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পূর্বে স্থাপিত ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার অনেকগুলো অকেজো হয়ে গেছে।

সেগুলো দ্রুত সচল করা হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পে সক্রিয় মাদক কারবারি ও মাদকের বাহকদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উখিয়া-টেকনাফ এলাকার জেলে ও নৌযানের নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মাধ্যমে নৌপথে কোনো ধরনের চোরাচালান হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে মনে করেন তিনি।

উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় বেড়ে যাওয়া অপহরণের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটছে সেখানে সেনাবাহিনীর অন্তত দুটি ক্যাম্প স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হবে। যেকোনো মূল্যে অপহরণ বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি জানান।

সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ডগ স্কোয়াড ও প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহ, প্রতিটি জেলায় মাদক শনাক্তকরণ ল্যাবরেটরি স্থাপন, হাজতখানা ও মালখানা নির্মাণ এবং এ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়। দ্রুত এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন