EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

টুঙ্গিপাড়ায় পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি এসএম জিলানী, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস

এক দশক ধরে পানিবন্দি পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রাম; গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিনে পরিদর্শনে সংসদ সদস্য

ডেইলি সান রিপোর্ট, গোপালগঞ্জ

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

টুঙ্গিপাড়ায় পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি এসএম জিলানী, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস

টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী মধ্যপাড়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী মধ্যেপাড়া গ্রামে দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে দুই শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যায়। একই সঙ্গে কবরস্থান ও মাদ্রাসায় যাওয়ার রাস্তাও ডুবে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি এলাকাটির জলাবদ্ধতা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জিলানী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি পাটগাতী মধ্যেপাড়া গ্রাম পরিদর্শন করেন এবং পানিবন্দি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই তারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন। অধিকাংশ পরিবার মাটির চুলায় রান্না করেন। রান্নাঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক সময় না খেয়ে বা কষ্টে দিন কাটাতে হয়। বিকল্প হিসেবে গ্যাস ব্যবহারের সামর্থ্যও অনেক পরিবারের নেই। এ সমস্যার সমাধানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে মৌখিক ও লিখিতভাবে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও দীর্ঘদিনেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য এসএম জিলানী বলেন, ‘পাটগাতী মধ্যেপাড়া গ্রামে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আজ সরেজমিনে এসে দেখলাম, এ জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান জরুরি। উপজেলা ও পৌরসভার প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলোচনা করে ড্রেন নির্মাণ, রাস্তা উঁচু ও প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে এলাকাবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন।’

এসময় টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন