EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

কসবায় খাল পুনঃখনন শেষে সরকারি কোষাগারে ৭৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

পানি ধারণক্ষমতা বাড়ায় তিন ফসল আবাদের সম্ভাবনা কৃষকদের

ডেইলি সান রিপোর্ট, কসবা

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

কসবায় খাল পুনঃখনন শেষে সরকারি কোষাগারে ৭৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

কসবায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প মানসম্মতভাবে শেষ করে সাশ্রয় হওয়া ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম। ছবি: ডেইলি সান

অ অ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন শেষে সাশ্রয়কৃত ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম। স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্ধারিত মান অর্জনের পাশাপাশি খাল পুনঃখননের ফলে ওই এলাকায় সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের তিন ফসল উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সিনাই নদীর ৬ কিলোমিটার অংশের জন্য ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং জিয়াখালের ৪ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের গুণগত মান বজায় রেখে শতভাগ কাজ শেষ করার পরও মোট ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা অব্যয়িত থাকে, যা পরবর্তীতে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

পরিবেশ রক্ষায় প্রকল্পের আওতায় নদী ও খালের তীরে সর্বমোট ৫ হাজার ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম, স্থানীয় প্রকৌশলী, কৃষি কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

খাল পুনর্খননের সুফল নিয়ে স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন পর খালগুলোর পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ সংকট দূর হবে এবং জমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে। এতে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে, যা কৃষি বিপ্লবের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয় ও গুণগত মান বজায় রেখেই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এই খালগুলোর সুফল কৃষকরা দীর্ঘদিন ভোগ করবেন। এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

আরও পড়ুন