কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা, সড়ক, বন্দর, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দের একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৬তম সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির পূর্বানুমোদনের জন্য উপস্থাপিত পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলার অবকাঠামো নির্মাণ, চট্টগ্রামে সড়ক সম্প্রসারণ, গাজীপুরে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাস-ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, সংযোগ সড়ক উন্নয়ন এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ প্রকল্প।
এ ছাড়া জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ৫০ বিঘার বেশি জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত ১৪টি প্রস্তাবেরও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর সম্প্রসারণ, কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, হবিগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জের সড়ক উন্নয়ন, চট্টগ্রামের পটিয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় ১০৩ দশমিক ৭৩ একর জমি অধিগ্রহণ।
এ ছাড়া জাইকার অর্থায়নে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ, সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন, দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-গুনদুম রেললাইন নির্মাণ এবং ঢাকা-কাঁচপুর-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের জন্যও প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব অনুমোদনের ফলে যোগাযোগ, শিক্ষা, বন্দর, নগর ব্যবস্থাপনা এবং জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরও গতি পাবে।
সভায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের কাজ স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের স্বার্থ, কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।