প্রধানমন্ত্রী ১০০ টাকায় লাঞ্চ করেন, আমরাও করি: আযম খান
প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টায় অফিসে আসেন। শুনেছেন? শুনেননি। আমরা মন্ত্রীরা প্রত্যেক দিন পৌনে ৯টায় অফিসে যাই। আমার দপ্তরে কোনো দিন সাড়ে ৮টা বা পৌনে ৯টায় গেলেও দেখবেন আমি হাজির।
ডেইলি সান রিপোর্ট, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
প্রধানমন্ত্রী দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সখীপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তন শুরু করে দিয়েছেন। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। পাঁচ বছরে তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, পরিবেশ ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাসহ সব ব্যবস্থাকে একটি পর্যায়ে নিয়ে আসতে চান।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি বলবো না, ৫ বছরে তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবেন। তিনি যদি আরও কিছু সময় পান, তাহলে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে নিয়ে যাবে ন।’
ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা ব্যক্ত করে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না। আমরা সবাই ১০০ টাকার খাবার খাই দুপুরবেলা। প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টায় অফিসে আসেন। শুনেছেন? শুনেননি। আমরা মন্ত্রীরা প্রত্যেক দিন পৌনে ৯টায় অফিসে যাই। আমার দপ্তরে কোনো দিন সাড়ে ৮টা বা পৌনে ৯টায় গেলেও দেখবেন আমি হাজির। অর্থাৎ পরিবর্তনটা শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বাধীনতার পরে যে ধস নেমেছে, সেই ধস থেকে আপনারা এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে বের করে নিয়ে আসুন। আপনাদের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা।’
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটুসহ আরও অনেকে।