ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৩ এএম
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত দিকনির্দেশনা জোরদারে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২১ জুন জারি করা ২২ সদস্যের আগের উপদেষ্টা পরিষদ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করে নতুন এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী পরিষদের সভাপতি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরিষদের সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান, এনবিআরের চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব এবং খাদ্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব।
এ ছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতিকে।
সরকার জানিয়েছে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী ঔষধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা প্রণয়ন ও প্রতি দুই বছর পর তা হালনাগাদসহ বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেবে।
এ ছাড়া ঔষধ ও কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন ও রপ্তানি, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সমন্বয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বও পালন করবে পরিষদটি।