EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্ত দিয়ে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কাউকে সীমান্তে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের কাছে যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের অবৈধভাবে অবস্থানের তথ্য থাকে, তাহলে তা কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জানানো উচিত। এরপর বাংলাদেশ সরকার জাতীয়তা যাচাই করে আইনি প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে নেবে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ১০ হাজার মানুষকে পুশব্যাকের যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোনো তথ্য বা প্রমাণ নেই।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) থেকে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা কার্যকরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সীমান্তে এ ধরনের তৎপরতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মামলার তিন প্রধান আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে সেখানে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার দুই দেশের অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন ইতোমধ্যে পাঠিয়েছে।

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের পর বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে। পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হলে সরকার মাত্র তিন দিনের মধ্যে সব আইনি কাগজপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দেশটির ফেডারেল পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং তার প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ ইউএই সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন