গণতন্ত্রের মাইলফলক ত্রয়োদশ নির্বাচন, সংস্কারের পরামর্শ কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষকদের
জুলাই সনদের গণভোট ‘শান্তিপূর্ণ’ হলেও এর সারমর্ম সম্পর্কে সাধারণের মাঝে সচেতনতার অভাব ছিল বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক দল
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:০৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠানের ১২৪ দিন পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল (সিওজি)।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘গণতন্ত্রের মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে নতুন সরকারকে সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে প্রবাসী এবং কারাগারে থাকা ভোটারদের জন্য ‘পোস্টাল ভোটিং’ ব্যবস্থা চালুর প্রশংসা করা হয়েছে। পর্যবেক্ষক দল মনে করে, এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং ফলাফল ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াটি ‘অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে’ সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জুলাই সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট ‘অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ’ ছিল বলে পর্যবেক্ষক দল মত প্রকাশ করেছে। তবে গণভোটের মূল বিষয়বস্তু বা সারমর্ম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ছিল কম, যা তাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে নির্বাচনের কিছু সীমাবদ্ধতাও চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা নিয়ে আগে যে উদ্বেগ ছিল, তা পর্যবেক্ষক দল স্বীকার করেছে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠানের ১২৪ দিন পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল (সিওজি)।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘গণতন্ত্রের মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে নতুন সরকারকে সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে প্রবাসী এবং কারাগারে থাকা ভোটারদের জন্য ‘পোস্টাল ভোটিং’ ব্যবস্থা চালুর প্রশংসা করা হয়েছে। পর্যবেক্ষক দল মনে করে, এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং ফলাফল ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াটি ‘অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে’ সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জুলাই সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট ‘অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ’ ছিল বলে পর্যবেক্ষক দল মত প্রকাশ করেছে। তবে গণভোটের মূল বিষয়বস্তু বা সারমর্ম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ছিল কম, যা তাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে নির্বাচনের কিছু সীমাবদ্ধতাও চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা নিয়ে আগে যে উদ্বেগ ছিল, তা পর্যবেক্ষক দল স্বীকার করেছে।
এই নির্বাচনে অন্তর্ভুক্তি বা সবার অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণও সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী হওয়া এবং তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ‘অত্যন্ত কম’। মোট প্রার্থীর মাত্র চার শতাংশ ছিলেন নারীরা। তাদের মধ্যে সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ৭ জন।
এছাড়া, ৩৫ বছরের কম বয়সী ভোটাররা মোট ভোটারের প্রায় ৪৪ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও তরুণদের প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের হার ‘বেশ কম’ ছিল বলে মনে করছে সিওজি।
ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আড্ডোর নেতৃত্বে এই পর্যবেক্ষক দলে এশিয়া, আফ্রিকা, ক্যারিবিয়ান, ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আরও ১২ জন অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। গত ৪ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি তারা বাংলাদেশে অবস্থান করে নির্বাচনপূর্ব, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন।