শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশকে গুলির ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার, ৬ দিনের রিমান্ড
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
রাজধানীর রামপুরা এলাকায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশকে গুলির ঘটনায় মো. ইমাম হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে ছয় দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশের দাবি, কাইল্লা পলাশকে গুলি করার পর হামলাকারীকে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সহায়তা করেন ইমাম। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলির পর যে মোটরসাইকেলে করে শুটার পালিয়ে যায়, সেটির চালক ছিলেন তিনি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইমামের সম্পৃক্ততার বিষয়টি শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর রামপুরা টিভি সেন্টার সংলগ্ন এলাকায় নিজ বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হন কাইল্লা পলাশ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, কাইল্লা পলাশ ২০০২ সালের ২৯ মে রামপুরায় যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ওই মামলায় বিচারিক আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও পরে উচ্চ আদালত সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রায় এক মাস আগে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান কাইল্লা পলাশ। তার বাবার নাম ইউনুস খান এবং তাদের বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা এলাকায়।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে হামলার নেপথ্যের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।