EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’

পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অংশ নিলেন প্রায় ৩০০ মানুষ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অংশ নিলেন প্রায় ৩০০ মানুষ
অ অ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ম্যারাথন কর্মসূচি ‘রান ফর আর্থ’। শনিবার (১৩ জুন) আয়োজিত ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রায় ৩০০ তরুণ, জলবায়ু কর্মী ও সাধারণ নাগরিক।

তরুণদের সংগঠন ব্রাইটার্স-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল জলবায়ু সুরক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং টেকসই নগরায়ণের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আয়োজকরা জানান, বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে তরুণ সমাজের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স লিড নাজমুল আহসানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। কর্মসূচিটির কৌশলগত অংশীদার ছিল সি৩ইআর (সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ), ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট—ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং স্বপ্নপুর কল্যাণ সংস্থা।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের এমন অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, নগর ও পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন প্রজন্মকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ধরনের আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সহায়ক হবে।

নাজমুল আহসান বলেন, সৃজনশীল ও অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এতে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন প্রজন্ম আরও দায়িত্বশীল ও উদ্যোগী হয়ে উঠবে।

ব্রাইটার্সের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় এবং জ্বালানি অনিশ্চয়তার মতো জলবায়ুজনিত সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। ‘রান ফর আর্থ’-এর মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, প্রচলিত সচেতনতামূলক প্রচারণার বাইরে গিয়ে মানুষকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজধানীর বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং নগর পরিবেশ পুনরুদ্ধারে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তাদের মতে, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গঠনে তরুণদের নেতৃত্ব ও সক্রিয় অংশগ্রহণই ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় আশার জায়গা।

আরও পড়ুন