EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

‘তরুণদের রক্ষায় তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি’

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

‘তরুণদের রক্ষায় তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ জরুরি’
অ অ

আগামীকাল ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। এ বছর দিবসটির বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ‘আনমাস্কিং দ্য অ্যাপিল - কাউন্টারিং নিকোটিন অ্যান্ড টোব্যাকো অ্যাডিকশন’। বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে ‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে।

বর্তমানে তামাক কোম্পানিগুলো আগ্রাসী প্রচার চালাচ্ছে। তারা নতুন রূপে ও আকর্ষণীয় মোড়কে শিশু-কিশোর ও তরুণদের কাছে তামাকপণ্য তুলে ধরছে।

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ তামাক নিয়ন্ত্রণে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এই আইন থেকে ই-সিগারেট, ভেপিং ও নিকোটিন পাউচের মতো নতুন প্রজন্মের পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ পড়েছে। এর ফলে তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। তামাক কোম্পানিগুলো মূলত তরুণদের লক্ষ্য করেই এসব পণ্যকে ‘নিরাপদ’ বা ‘কম ক্ষতিকর’ বলে প্রচার করছে, যা মোটেও সত্য নয়।

তামাকের ভয়াবহতা ও ক্ষতি

ব্যবহারকারী: বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহার করেন।

মৃত্যু: তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

আর্থিক ক্ষতি: ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এই অঙ্ক তামাক খাত থেকে পাওয়া রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ সব নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

প্রজ্ঞা মনে করে, তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে সদ্য পাস হওয়া আইনের কঠোর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। একই সঙ্গে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ ঠেকাতে নীতিমালা তৈরি করতে হবে। 

এছাড়া আসন্ন জাতীয় বাজেটে সব ধরনের তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়িয়ে তা তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন