EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

১৭৬ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

১৭৬ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলার আসামি গ্রেপ্তার
অ অ

১৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি ও চেক জালিয়াতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ওয়েসিস হাইটেক স্পোর্টস ওয়ার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) মো. আশফাকুর রহমান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে কুমিল্লার ঝাউতলা এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখার ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মো. এমদাদুল মতিন জানান, ওয়েসিস হাইটেক স্পোর্টস ওয়ার লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটির যৌথ মালিকানায় রয়েছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জাভেদ আলী ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আশফাকুর রহমান চৌধুরী। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জাভেদ আলী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

২০১৬ সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কুমিল্লা শাখা থেকে প্রতিষ্ঠানটি ১১৬ কোটি ১০ লাখ টাকার বিনিয়োগ সুবিধা নেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিয়মিতভাবে লেনদেন চললেও ২০১৯ সালে প্রায় ১০০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হয়।

পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ঋণ খেলাপিতে রূপ নেয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ১৭৬ কোটি টাকারও বেশি।

দীর্ঘদিন ধরে পাওনা আদায়ে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করা হলেও অভিযুক্তরা ঋণ পরিশোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। একপর্যায়ে বকেয়া ঋণের আংশিক পরিশোধের জন্য ব্যাংকে চেক দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় আদালত তাদের এক বছরের কারাদণ্ড দেন।

ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লার প্যানেল ল’ইয়ার ও কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পিপি বদিউল আলম সুজন বলেন, ওয়েসিস হাইটেক স্পোর্টস ওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশফাকুর রহমান চৌধুরী ব্যাংক থেকে পৃথকভাবে মোট ১৭৬ কোট টাকা ঋণ নিয়েছেন। পরে ব্যাংকের সঙ্গে চেক দেওয়ার মাধ্যমে প্রতারণা করেছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আদালতে পাঁচটি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে একটি মামলায় আদালত তাকে এক বছরের সাজা দিয়েছেন। বাকি মামলাগুলোও বিচারাধীন রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঋণ খেলাপি একটি মামলায় আদালত আশফাকুর রহমান চৌধুরীকে এক বছরের সাজা দেন। ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে পালাতক রয়েছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন