EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

মিরপুরে হকার পুনর্বাসনে ডিএনসিসির বড় উদ্যোগ, ২০২ ব্যবসায়ী পেলেন ডিজিটাল পরিচয়পত্র

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

মিরপুরে হকার পুনর্বাসনে ডিএনসিসির বড় উদ্যোগ, ২০২ ব্যবসায়ী পেলেন ডিজিটাল পরিচয়পত্র
অ অ

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় হকারদের সুশৃঙ্খল পুনর্বাসন ও ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২ জন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও মিরপুর-২ এলাকার তালিকাভুক্ত হকারদের মাঝে কিউআর কোড সংবলিত এই ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত বিকল্প স্থানে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, মিরপুর এলাকার মোট ৮২৯ জন হকারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক ধাপে ২০২ জনকে পরিচয়পত্র প্রদান করা হলো। তাদের মধ্যে ১০২ জনকে মিরপুর-১০ এলাকা থেকে মিরপুর-১৩ ওয়াসা রোডে এবং বাকি ১০০ জনকে গাবতলী কাজী বাজার সংলগ্ন খালি স্থানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হকারদেরও একই প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসন করা হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্ধারিত স্থানে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, স্থানান্তরের জন্য স্বল্প সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পুরোনো স্থানে কেউ ব্যবসা পরিচালনা করলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে হকারদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ছয়টি মাঠে হকার পুনর্বাসনের পরিকল্পনা থাকলেও সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে এসব মাঠে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা চলে। তাই মাঠ ব্যবহার না করে বিকল্প স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে হকারদের জন্য পৃথক ‘হকার্স মার্কেট’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে হকারদের নির্ধারিত স্থানের বাইরে ব্যবসা না করা এবং কোনো স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুনর্বাসন কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে সিটি কর্পোরেশন ও ডিএমপি প্রতিনিধিরা থাকবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএমপি ও ডিএনসিসির কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন