EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

৬ বছর পর তামিম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

৬ বছর পর তামিম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
অ অ

রাজধানীর হাতিরঝিলে বহুল আলোচিত তামিম হত্যা মামলার পলাতক আসামি মো. রায়হান শুভ (২৩)-কে ঘটনার প্রায় ছয় বছর পর গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ ও এলআইসি’র একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন সেন্ট্রাল রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত রায়হান শুভ বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার দক্ষিণ নাজিরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি শহিদুল ইসলাম খোকন ও জেসমিন আক্তারের ছেলে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে হাতিরঝিল থানাধীন প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে প্রধান সড়কের ফুটপাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মো. তামিমের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ সময় এজাহারভুক্ত আসামি সাব্বির ও শাওনসহ অন্য সহযোগীদের সঙ্গে উপস্থিত থেকে রায়হান শুভ ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেন এবং একপর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তামিমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন (১৬ ডিসেম্বর ২০২০) দুপুরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

তদন্ত চলাকালে পূর্বে গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রায়হান শুভর প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। তারা জানান, ঘটনার সময় তিনি হত্যাকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এরপর থেকে পলাতক থাকা রায়হান শুভকে গ্রেপ্তারে সিআইডি দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। সর্বশেষ তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার পূর্ণ রহস্য উদঘাটন, অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন