EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

রাজধানীজুড়ে ১১ হাজার সি‌সি ক্যামেরা লাগাবে ডিএম‌পি

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

রাজধানীজুড়ে ১১ হাজার সি‌সি ক্যামেরা লাগাবে ডিএম‌পি
অ অ

রাজধানীতে অপরাধ দমনে নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সারওয়ার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর ও বসিলা এলাকাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বসিলায় ডিএমপির অস্থায়ী ক্যাম্পে এক অনুষ্ঠানে এসব উদ্যোগের কথা জানান তিনি।

ডিএম‌পির এই ক‌মিশনার জানান, বসিলা থানা প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শেষ হতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। একই সঙ্গে ডিএমপির ৫০টি থানার আওতায় পেট্রোল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মোহাম্মদপুরকে অপরাধমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বসিলা এলাকায় বৈধ আয়ের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য তাদের আয়ের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ‘নো ড্রাগস’ কর্মসূচির প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্থানীয় পর্যায়ে অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে অটোরিকশা বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন এই ডিএমপি কমিশনার। শিগগিরই মোহাম্মদপুর এলাকার চিহ্নিত অপরাধীদের ছবি প্রকাশ করে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

মো. সরওয়ার জানান, আইনশৃঙ্খলা জোরদারে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার ও বসিলা ক্যাম্পে পুলিশ সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হবে। এছাড়া হোটেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করে হোটেলে অবস্থানকারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একই ব্যবস্থা ভাড়াটিয়াদের ক্ষেত্রেও চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মোহাম্মদপুর এলাকায় ৭০০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো মহানগরজুড়ে এই সংখ্যা হবে প্রায় ১১ হাজার। প্রয়োজন হলে অন্যান্য থানা থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মোহাম্মদপুর ও বসিলা এলাকাকে আদর্শ এলাকায় রূপান্তর করা হবে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে জানানো হয়, মাদক নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি সদস্যরা এখন দেশের যেকোনো জেলায় অভিযান চালাতে পারবেন। অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিন পাওয়ার বিষয়ে সরকারের অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

এছাড়া পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সামনে শুধু হুমকি নয়, বড় ধরনের চ্যালেঞ্জও রয়েছে—বিশেষ করে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার কমানো। খেলনা হিসেবে মেটাল পিস্তল বিক্রির বিষয়টিও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন