EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ঘাগড়া বাজারে সিএনজি ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ

ডেইলি সান রিপোর্ট, রাঙ্গামাটি

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৪ এএম

ঘাগড়া বাজারে সিএনজি ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ

ছবি: প্রতীকী

অ অ

রাঙ্গামাটির ঘাগড়া বাজারে সিএনজি ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হন এবং পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটে ঘাগড়া বাজার সিএনজি স্টেশনে ভাড়া নিয়ে বাঙালি সিএনজি চালক মো. আবুল হোসেন (৩২) ও একই এলাকার পাহাড়ি যুবক প্রবেশ চাকমা (৩২)-এর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রাথমিকভাবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও পরে চাকমা সম্প্রদায়ের কিছু লোকজন একত্রিত হয়ে স্টেশনে অবস্থানরত সিএনজি চালকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পুনরায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এদিকে, ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটিগামী সেনাবাহিনীর একটি দল যাওয়ার সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে। মেজর মো. মিনহাজুল আবেদীনের নেতৃত্বে সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি নিজেও বাম হাতের আঙুলে সামান্য আহত হন।

পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল একরামুল রাহাত, পিএসসি, অধিনায়ক, ৬০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং মেজর খোরশেদ হাসান, ব্রিগেড মেজর, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উভয় পক্ষের সম্মতিতে আগামী ১৬ এপ্রিল বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জোন কমান্ডারের মাধ্যমে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপের কারণেই সম্ভাব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বড় আকার ধারণ করেনি, বিশেষ করে চলমান বিজু উৎসবের সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বর্ণা চাকমার বিরুদ্ধেও পরিস্থিতি উস্কে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে পরে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন