EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

টেকনাফ স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ, পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, চট্টগ্রাম

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

টেকনাফ স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ, পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকা টেকনাফ স্থলবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সোমবার কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকায় নাফ নদীসংলগ্ন স্থলবন্দরে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি বন্দরের গুদামে পড়ে থাকা পণ্যসহ সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, স্থলবন্দর পুনরায় সচল করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, সিএন্ডএফ এজেন্ট, কাস্টমস, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের চাহিদার প্রেক্ষিতে বন্দর কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের সমন্বয়ের মাধ্যমেই সীমান্ত বাণিজ্য পরিচালিত হবে। সেই ভিত্তিতেই টেকনাফ স্থলবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মুহাম্মদ মানজারুল মান্নান জানান, বন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে বড় ধরনের কোনো বাধা নেই এবং কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, টেকনাফ ২-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম এবং কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে নৌযান চলাচলে বাধা এবং পণ্যবাহী জাহাজে চাঁদা দাবির ঘটনায় গত বছরের এপ্রিল থেকে সীমান্ত বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতে ক্ষতির মুখে পড়েন শতাধিক আমদানি-রপ্তানিকারক। বর্তমানে বন্দর চালু উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

আরও পড়ুন