EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহন সংকট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে

অনেকেই বাস বা গণপরিবহন না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে বাড়ি যাচ্ছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহন সংকট, যাত্রী ভোগান্তি চরমে
অ অ

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও কোথাও কোনো যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। তবে মহাসড়কে পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় ভোগান্তিতে চরম পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ভ্যাপসা গরম আর ধুলোবালিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অনেকেই বাস বা গণপরিবহন না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে বাড়ি যাচ্ছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

পুলিশ জানায়, সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এদিকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপারে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সরেজমিনে মহাসড়কের নগরজালফৈ বাইপাস, রাবনা বাইপাস ও এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এসময় দেখা যায়, কেউ কেউ আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা যাবত গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। ভ্যাপসা গরম ও ধুলোবালিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষদের।

পাবনাগামী যুবক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি টাঙ্গাইলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি।

ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। প্রায় এক ঘণ্টা হয়ে গেল কোনো বাস পাইনি। এছাড়াও ধুলোবালিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের রুমা বেগম বলেন, স্বাভাবিক সময়ে টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জের ভাড়া সর্বোচ্চ একশ টাকা। আজ ভাড়া চাইছে ৩০০ টাকা।

এছাড়াও ভ্যাপসা গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

বগুড়ার মাদ্রাসার ছাত্র মো. হুমায়রা বলেন, বাসের তো সিট ফাঁকা নেই। বাসের ভেতরে তিল ধারণের জায়গা নেই। এছাড়াও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খোলা ট্রাক ও পিকআপে ঘরমুখো মানুষে ভরপুর।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানজট নিরসনে যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে আলাদা মোটরসাইকেলের লেনসহ ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর ওপর কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সেজন্য দুটি রেকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যানবাহনের চাপ বাড়লেও যানজট নেই।

কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও কোনো যানজটে ভোগান্তি নেই। যানজট নিরসনে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাত শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। 

বাড়তি ভাড়া আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন