মাদারীপুর
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ৬৫০ টাকায় মিলছে গরুর মাংস
প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী এই ভর্তুকি মূল্যে প্রতিদিন ২০০ কেজি মাংস বিক্রি করা হবে।
ডেইলি সান রিপোর্ট, মাদারীপুর
প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ। ভর্তুকির মাধ্যমে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণির মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) থেকে পাঁচ দিনব্যাপী শিবচর উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে অস্থায়ী মাংসের দোকানে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. ইবনে মিজান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রমজানে দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে উপজেলা পরিষদের সামনে সুলভ মূল্যে গরুর মাংস বিক্রির ভ্রাম্যমাণ বাজার বসানো হয়েছে। এখানে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ক্রেতাদের সামনেই মাংস কেটে ওজন করে দেওয়া হচ্ছে।
সুলভ মূল্যে গরুর মাংস কিনতে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের ছিল দীর্ঘ লাইন। ঈদের আগ পর্যন্ত মাংস বিক্রি হবে। তবে কোনো ক্রেতা দুই কেজির বেশি মাংস কিনতে পারবেন না। উদ্বোধনের পরই মাংস কিনতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ।
সুলভ মূল্যে মাংস কিনতে ভোর থেকেই ভিড় করছেন ক্রেতারা। চাহিদা বেশি থাকায় প্রতিজনকে সর্বোচ্চ দুই কেজি করে মাংস দেওয়া হচ্ছে। ফলে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পুরো মাংস বিক্রি শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মাংস কিনতে আসা রানা মোল্লা বলেন, শিবচর বাজারে গরুর মাংসের দাম ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। সেখানে ৬৫০ টাকায় এবং চোখের সামনে দেখে নির্ভেজাল মাংস কিনতে পারছি এটা বড় পাওয়া। প্রতিদিন এ কার্যক্রম চালুর দাবি জানান তিনি।
আরেক ক্রেতা শাহীন শিকদার বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার হিসেবে বেশি দামে মাংস কেনা কঠিন। উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ঈদ পর্যন্ত নিয়মিত বিক্রির আহ্বান জানাই।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. ইবনে মিজান জানান, বাজারে গরুর মাংসের দাম বেশি হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষেরা নিয়মিত মাংস কিনে খেতে পারে না। সেসব স্বল্প আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই উপজেলা প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পাঁচদিন স্বল্প মূপ্রাণিসম্পদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পাঁচদিন স্বল্প মূল্যে মাংস বিক্রি চলবে। প্রতিদিন ২০০ কেজি করে মাংস বিক্রি করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে সরকার থেকে ভর্তুকি দেওয়া হবে।