EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিশে দিন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত—এই শ্রেণির মানুষ সবার আগে কার্ড পাবেন। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরাও কার্ড পাবেন, তবে স্বাভাবিকভাবেই তারা পরে পাবেন। আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ৪০ শতাংশ মানুষ সবার আগে এই কার্ড পাবেন।

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিশে দিন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
অ অ

ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করা প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। 

তিনি বলেন, একটি মহল ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। তারা এটা প্রতারণা করছে। কিন্তু সরকার এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বিতরণ করবে। তাই কেউ এর বিনিময়ে টাকা চাইলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেবেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি রাজধানীর কড়াইল বস্তি এবং ময়মনসিংহে একটি চক্র ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা দাবি করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি—এই কার্ড করতে কোনো টাকা লাগবে না। এটা ইউনিভার্সাল কার্ড। এখানে কোনো ধরনের ভুল করার সুযোগ নেই। এখানে দলীয় লোকদের কোনো সম্পৃক্ততারও সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মাধ্যমে এটি তালিকাভুক্ত করা হবে।

ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এর তদারকি করবেন। এখানে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়ার কিংবা বাড়তি যুক্ত করারও সুযোগ নেই। এখানে সবাইকেই যুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত—এই শ্রেণির মানুষ সবার আগে কার্ড পাবেন। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরাও কার্ড পাবেন, তবে স্বাভাবিকভাবেই তারা পরে পাবেন। আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ  ৪০ শতাংশ মানুষ সবার আগে এই কার্ড পাবেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রথমে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করব। পরে উপজেলা পর্যায়ে এসে এই তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করব। আমাদের সমাজকল্যাণ কর্মী আছে, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মী আছে, কৃষি বিভাগের কর্মীরা আছে, প্রতি মাসে তাদের দিয়ে তথ্য নেওয়ার মাধ্যমে আমরা ঢাকা থেকে বলে দিতে পারব ওমুক গ্রামে কে এই সুবিধাভোগী।

কেউ কোনো মাসে টাকা না পেলে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে পারবেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এবং চারজন কর্মচারী থাকবে এসব বিষয় তদারকির জন্য। আর এই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি পৌঁছে যাবে। মানুষ যে মাধ্যমে টাকা পেতে চাইবেন সেভাবে সরাসরি তার কাছে চলে যাবে। কেউ যদি টাকা না তুলে সেটাও অটোমেটিক্যালি সফটওয়্যারের মাধ্যমে বোঝা যাবে তিনি টাকা তোলেননি।

আরও পড়ুন