চতুর্থ শ্রেণি থেকে পাঠ্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ বিষয় হচ্ছে খেলাধুলা: মাহ্দী আমিন
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আগামী বছর থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে পূর্ণাঙ্গ বিষয় হিসেবে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলাকে যুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রাও একদিন বিশ্বমঞ্চে সাফল্য অর্জন করবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ‘গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া ও খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে খেলাধুলা ও ক্রীড়াচর্চাকে গভীরভাবে যুক্ত করা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্রীড়াকে শিক্ষাব্যবস্থার অনিবার্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
তিনি জানান, খেলাধুলাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবার দেশব্যাপী বড় পরিসরে জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছে। দাবা, হ্যান্ডবল, সাঁতার ও কাবাডি—এই চারটি খেলায় বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সারা দেশ থেকে আসা তিন শতাধিক শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক বিকাশের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ‘প্রাইম মিনিস্টার ফুটবল গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন ধারার ক্রীড়াচর্চা ও শারীরিক শিক্ষার এই পরিবেশ আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, জয়-পরাজয় যাই হোক, জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছানো প্রতিটি শিক্ষার্থীই নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। তাদের দক্ষ খেলোয়াড়ের পাশাপাশি সুনাগরিক ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ১১টি শিক্ষা বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
