EN ☀️
×

Follow Us

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: পিউ জরিপ

যুক্তরাষ্ট্রের ৬৪% মানুষ বলছেন, গণতন্ত্রের শত্রু সামাজিক মাধ্যম

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: পিউ জরিপ

সামাজিক মাধ্যমকে গণতন্ত্রের ঝুঁকি ভাবছে উন্নত দেশগুলো। ছবি: রয়টার্স

অ অ

গণতন্ত্রের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বড় হুমকি হয়ে উঠছে বলে মনে করেন বিশ্বের বহু মানুষ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশগুলোয় এই সংশয় বেশি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ মানুষের মতে, সামাজিক মাধ্যম মানুষকে নিয়ন্ত্রণ ও বিভক্ত করছে এবং গণতন্ত্রের ক্ষতি করছে।

পিউ জানায়, তারা ৩৭টি দেশের ৪৫ হাজারের বেশি মানুষের মতামত নিয়েছে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার নিয়ে আলাদাভাবে ৫ হাজার ৫১১ জন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মত জানা হয়েছে।

২০২২ সালের তুলনায় সামাজিক মাধ্যমকে ‘খারাপ দিক’ হিসেবে দেখা মানুষের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আগের তথ্য পাওয়া ২৬টি দেশের মধ্যে ১৬টিতেই সামাজিক মাধ্যমকে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর মনে করা মানুষের হার বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি সংশয়ী দেশগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ৬৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এমনটি মনে করেন। বিপরীতে ঘানা, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার মতো কম মাথাপিছু জিডিপির দেশগুলোয় এই সংশয় তুলনামূলক কম। তবে বেশির ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন, সামাজিক মাধ্যম তথ্য ও রাজনীতিতে মতামত প্রকাশের সুযোগ বাড়িয়েছে।

এদিকে ব্যবহারকারীদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা, স্ন্যাপ ও টিকটক হাজার হাজার মামলার মুখে পড়েছে। মামলা নিষ্পত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোটা অঙ্কের অর্থও দিতে হচ্ছে। নাগরিকের গোপনীয়তা রক্ষায় বিভিন্ন দেশের সরকারও কার্যকর পথ খুঁজছে।

১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করা প্রথম দেশ অস্ট্রেলিয়া। এবার ব্যবহারকারীরা যেন অ্যালগরিদমভিত্তিক সুপারিশ ফিড থেকে সরে আসতে পারেন, সে জন্য নতুন নিয়ম প্রস্তাব করেছে দেশটি। পিউয়ের জরিপ অনুযায়ী, শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ সীমিত করার সরকারি পদক্ষেপের পক্ষে আছেন ৮২ শতাংশ অস্ট্রেলীয় প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক।

আরও পড়ুন