স্ক্যাম ঠেকাতে আইফোনে নতুন ফিচার
প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
আইওএস ২৭ ও আইপ্যাডওএস ২৭-এ সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং স্ক্যাম শনাক্তে ‘ইম্পারসনেশন রিস্ক ডিটেকশন’ ফিচার যোগ করেছে অ্যাপল। ছবি: রয়টার্স
স্ক্যাম থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে আইওএস ২৭ ও আইপ্যাডওএস ২৭-এ ‘ইম্পারসনেশন রিস্ক ডিটেকশন’ নামের নতুন নিরাপত্তা ফিচার যোগ করেছে অ্যাপল। সম্প্রতি চালু হওয়া এ ফিচার ডিভাইসের ভেতরেই রিয়াল-টাইমে ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে প্রতারণার লক্ষণ শনাক্ত করে। প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মতো ব্যবস্থা কার্যকর হলেও প্রতারকেরা ব্যাংক কর্মী বা সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাপ দিয়ে ব্যবহারকারীকে দিয়েই লেনদেন অনুমোদন করান বা পাসওয়ার্ড শেয়ার করান। ব্যবহারকারী নিজেই কাজটি করেন বলে তখন প্রচলিত সুরক্ষা কাজ করে না।
যেভাবে কাজ করে
পেমেন্ট বা অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা তথ্য পরিবর্তনের মতো সংবেদনশীল কাজের সময় সমর্থিত অ্যাপ ঝুঁকি মূল্যায়নের অনুরোধ করতে পারে। ফোন তখন ইন্টারঅ্যাকশন প্যাটার্ন, সময়, প্রেক্ষাপট ও মৌলিক সেন্সর ডেটা বিশ্লেষণ করে ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে।
ঝুঁকির তিন স্তর
● অজানা: সন্দেহজনক কার্যকলাপের লক্ষণ মেলেনি, তবে কাজটি শতভাগ নিরাপদ, এমন নিশ্চয়তা নেই।
● মাঝারি: কিছু সন্দেহজনক লক্ষণ শনাক্ত হয়েছে।
● উচ্চ: সন্দেহজনক কার্যকলাপের স্পষ্ট ও বড় লক্ষণ পাওয়া গেছে।
অ্যাপ কেবল এই ফলাফল পায়, মূল ডেটা পায় না। অ্যাপল ব্যবহারকারীর ছবি, বার্তা বা মেইলের বিষয়বস্তুও বিশ্লেষণ করে না। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে অ্যাপ ডেভেলপারদের ওপর। অ্যাপ পরিচয় যাচাই চাইতে, লেনদেন সাময়িক স্থগিত রাখতে বা সতর্কবার্তা দেখাতে পারে।
যেভাবে চালু করবেন
ফিচারটি ডিফল্টভাবে বন্ধ থাকে, ব্যবহারকারীকে নিজে চালু করতে হয়।
● ‘সেটিংস’ থেকে ‘প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি’-তে যান।
● ‘ইম্পারসনেশন রিস্ক ডিটেকশন’ বেছে ‘শেয়ার উইথ অ্যাপ ডেভেলপার্স’ অন করুন।
একই মেনুতে দেখা যাবে কোন অ্যাপ কেন ঝুঁকি মূল্যায়নের অনুরোধ করেছে। সেখান থেকে অ্যাপের অ্যাক্সেসও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।