EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পতাকা প্রদান

সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ার আহ্বান

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ার আহ্বান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে এর শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের আস্থার মধ্যে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে একটি আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে মোট ৭টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) অর্জনকারী ৭টি ইউনিটকে এই গৌরবময় স্বীকৃতির মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান।

অতীতের গৌরব ও বীরত্বপূর্ণ আত্মোৎসর্গের মহিমান্বিত ধারাবাহিকতায় জাতীয় পতাকা তাদের বর্তমান দায়িত্ব পালনে নতুন উদ্যম সঞ্চার করবে এবং ভবিষ্যতের সাফল্যের পথে অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় পতাকা প্রদান সেনাবাহিনীর যে কোনো ইউনিটের জন্য শুধু একটি পতাকা নয়। এটি তার গৌরবময় ঐতিহ্য, বীরত্ব, শৃংখলা ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

লাল-সবুজ পতাকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অসংখ্য বীরের আত্মত্যাগের ইতিহাস। সেনাবাহিনীকে জাতীয় পতাকা প্রদানের মাধ্যমে ইউনিটগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের আস্থা, স্বীকৃতি ও সম্মানের প্রতিফলন ঘটে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনা ও নৌ বাহিনী প্রধান, সংসদ সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন