শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশার জামিন বাড়ল
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ছবি: সংগৃহীত
শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী তানজিন তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর আবেদনও মঞ্জুর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ দেন।
তিশার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, এদিন মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির কথা ছিল। আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেই শুনানি পিছিয়ে দিয়েছেন আদালত। পরবর্তী শুনানির তারিখ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা দামের একটি শাড়ি নিয়েছিলেন তানজিন তিশা। শাড়িটি পরে পেজটির প্রচারে অংশ নেওয়া এবং এর মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে বাদীপক্ষের অভিযোগ।
এ ঘটনায় অ্যাপোনিয়ার প্রশাসক আমিনুল ইসলাম ২০২৫ সালের নভেম্বরে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।
বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। পরে ডিবি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে আদালত গত ১২ জুলাই তা আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন এবং ১৩ আগস্ট তাঁকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তানজিন তিশা। পরে মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ওই আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। একই সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী তানজিন তিশার আত্মসমর্পণ করে জামিন নেওয়ার দিনও নির্ধারিত ছিল। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে আদালতে পৌঁছান তিনি। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
তবে মামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তানজিন তিশা। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, শাড়িটি তাঁকে ‘উপহার’ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।

