EN ☀️
×

Follow Us

বাণিজ্য

২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

পোশাকের বাইরেও রপ্তানি বাড়াতে হবে ২.৫ গুণ: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম

২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস’ প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আহমেদ এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ‘নন-পোশাক’ খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্যের ‘প্রোটো-টাইপিং’ সুবিধা পাবেন। উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পলিসি সাপোর্ট দেওয়া হবে, তবে উদ্যোক্তাদেরও কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। সেমিনারে বিশ্বব্যাংকের বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ হোসনে ফেরদৌস সুমি, অর্থনীতিবিদ ড. এম এ রাজ্জাক, ড. এম মাসরুর রিয়াজ এবং আব্দুর রহিম খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন