EN ☀️
×

Follow Us

ধর্ম

মাহে রমজান ২০২৭ আসতে আর কত দিন বাকি? জেনে নিন

২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ এএম

মাহে রমজান ২০২৭ আসতে আর কত দিন বাকি? জেনে নিন

চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

অ অ

১৪৪৮ হিজরির রবিউস সানি মাসের সূচনার মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজান মাসের চূড়ান্ত গণনা শুরু হয়েছে। হিজরি বর্ষপঞ্জির আর মাত্র শেষ পাঁচ মাস বাকি থাকায় এখন থেকেই শুরু হয়েছে রমজানের কাউন্টডাউন। 

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আনুমানিক ১৪৭ দিন বাকি রয়েছে এবং এটি ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রতিবারের মতো এবারও রমজান শুরুর বিষয়টি নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।

চাঁদ দেখার পরদিন থেকে সিয়াম সাধনা শুরু হলেও তার আগের রাতে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম তারাবিহ নামাজ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হিজরি ক্যালেন্ডারের নবম মাস বা রমজানের চাঁদ খোঁজা হবে। ওই দিন নতুন চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতেই পড়া হবে এ বছরের প্রথম তারাবিহ এবং পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে শুরু হবে রোজা।

ইসলামি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী রমজান মাসটি ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে, তা নির্ভর করবে পরবর্তী শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর। জ্যোতির্বিজ্ঞানের বর্তমান অনুমান অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

হিজরি ক্যালেন্ডার বা ইসলামি বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ফলে এটি সৌর পঞ্জিকা বা গ্রেগরিয়ান (ইংরেজি) ক্যালেন্ডারের চেয়ে বছরে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট হয়। এই ধারাবাহিকতার কারণে প্রতি বছরই রমজান মাস আগের বছরের চেয়ে কিছুদিন এগিয়ে আসে। গড়ে ৩৩ বছরের একটি চক্রে মুসলমানরা বছরের প্রতিটি ঋতুতেই রমজানের রোজা পালনের সুযোগ পান।

উল্লেখ্য, পবিত্র রমজান হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস। মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর প্রথম পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছিল। পুরো রমজান মাসজুড়ে বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। এ মাসে ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পারিবারিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বর্তমান আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রযুক্তি যতই নিখুঁত হোক না কেন, দীর্ঘদিনের প্রথা ও ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই আনুষ্ঠানিকভাবে রমজান ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন