সাংবাদিকদের হুমকি: ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ | daily-sun.com

সাংবাদিকদের হুমকি: ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ

ডেইলি সান অনলাইন     ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:০৪ টাprinter

সাংবাদিকদের হুমকি: ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুরের ১৪ ডিসেম্বর শুক্রবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুর স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকদের ‘অবমাননাকর বক্তব্য ও হুমকি’ প্রদানের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

 

গতকাল শুত্রুবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

 

১৯৭২-১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য প্রণীত আইনগুলোর সঙ্গে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বরণ করিয়ে দিয়ে ড. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতে বলা হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করি, সর্বস্তরের মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শুধুই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যান’।

 

ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘১৪ ডিসেম্বর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্মৃতিসৌধের বেদিতে দাঁড়িয়ে আমি বলেছিলাম, আমরা কত মেধামী সন্তানকে হারিয়ে তবে স্বাধীনতা পেয়েছি। তখন হটাৎ করে বেদিতেই আমার কাছে জাতীয় ঐক্যফন্টে জামায়াতের অবস্থান জানতে চাওয়া হল। আমি তাৎক্ষনিক সবিনয়ে বলি, আজকে এই দিনে, যেখানে আমাদের গভীর অনূভুতির বিষয়, এই বিষয়ে এখানে কোনো মন্তব্য করতে চাই না’।

 

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, তৃতীয়বার তাকে (ড. কামালকে) জামায়াতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তখন ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকবার ‘জামাত-জামাত’ শব্দ শুনতে পান। তখন তার ‘খুবই খারাপ’ লাগায় প্রশ্নকর্তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন।

 

বিবৃতির শেষাংশে ড. কামাল লিখেছেন, ‘আমার বক্তব্য কোনভাবে কাউকে আহত বা বিব্রত করে থাকে, তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত’।

 

প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে যান ড. কামাল হোসেন। এসময় ‘আগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রশ্নে ঐক্যফন্টের অবস্থান’ জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের র্ভৎসনা করেন এবং অসম্মানের সঙ্গে উল্টো জিজ্ঞাসা করেন ‘কতো টাকা পেয়েছো? কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো, তোমার নাম কী? দেখে নেবো, কোন টিভি/পত্রিকায় কাজ করো, চিনে রাখব’।

 

এ ঘটনায় রাতেই সাংবাদিকদের হুমকি-ধামকি ও ভয়-তীতি প্রদর্শনের অভিযোগে কুষ্টিয়ার ইবি থানায় ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক।


Top