বিএনপির আফরোজা, খসরুর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা | daily-sun.com

বিএনপির আফরোজা, খসরুর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা

ডেইলি সান অনলাইন     ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২০:২২ টাprinter

বিএনপির আফরোজা, খসরুর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা

বিএনপি প্রার্থী আফরোজা আব্বাস ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আফরোজা আব্বাসের গণমাধ্যম সমন্বয়ক নাহিদ নজরুল বলেন, বুধবার ১২টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা চিত্তরঞ্জন দাস এবং ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ারের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা রড ও লাঠিসোটা নিয়ে আফরোজা আব্বাসের মোটরগাড়িবহরে অকস্মাৎ হামলা চালায়।

 

তিনি বলেন, আ’লীগের কর্মীরা আফরোজার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং তার ড্রাইভার আব্দুর রশীদকে মারধর করে।

 

আহত ড্রাইকারকে উদ্ধার করতে গেলে বিএনপির চার কর্মীকেও তারা মারধর করে। গুরুতর অবস্থায় ড্রাইভার রশীদকে আল-বারাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানান নাহিদ।

 

তিনি আরও বলেন, এর আগে সকাল ১০টার দিকে কমলাপুর বালক হাইস্কুলের কাছে আফরোজা আব্বাস ও তার সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও একই দল তাদের ওপর হামলা করে।

 

নাহিদ দাবি করেন, হামলাকারীরা আফরোজার কয়েকজন নারী সমর্থককে লাঞ্ছিত করেছে।

 

এদিকে আফরোজার স্বামী এবং ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সামর্থ আমার রয়েছে। ’

 

মতিঝিল এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি পরিবাগ এলাকায় প্রায় ১০০ জন আওয়ামী লীগ কর্মী লাঠিসোটা দিয়ে আমার ওপর হামলা করার অপেক্ষায় রয়েছে। আমি বিএনপি কর্মীদের বলতে চাই যে, এ ধরনের হামলা প্রতিরোধ করার মতো শক্তি আমার রয়েছে। ’

 

মিজা আর্ব্বাস বলেন, ‘বুধবার সকালে বারবার তার স্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালানো হয়েছে।

কিন্তু সে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়ায়নি। আমিও কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াতে চাই না কারণ আমরা ভোটারদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার জন্য নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছি। ’

 

বিএনপি নেতা আরও বলেন, হামলাকারীদের প্রতিরোধ করার জন্য পুলিশ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। ‘তারা কেবল নীরব দর্শকদের ভূমিকা পালন করছে। ’

 

অন্যদিকে, বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ী এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন আমীর খসরু মাহমুদ।

 

 

নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে পূর্ব মাদারবাড়ীতে গণসংযোগ করছিলেন তিনি। হামলার জন্য ছাত্রলীগকর্মীদের দায়ী করেছেন বিএনপির এই প্রার্থী।

 

এ সময় গণসংযোগে অংশ নেয়া পাঁচ বিএনপিকর্মী আহত হন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও আহতদের নাম জানাতে পারেননি তারা।

 

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ছাত্রলীগের কয়েকজন ছেলে আমাদের গণসংযোগে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। আমাদের কয়েকজন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আতঙ্ক সৃষ্টি করে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার চেষ্টা করছে। ’

 

হামলাকারীদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী’ উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের সবাই পরিচিত। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। ’

 

ঘটনার  ব্যাপারে জানতে চাইলে নগরীর সদরঘাট থানার ওসি নেজাম উদ্দিন ইউএনবিকে বলেন, ‘পূর্ব মাদারবাড়ীতে দুপুরে বিএনপির প্রার্থীর গণসংযোগ চলাকালে সেখানে আওয়ামী লীগের লোকজনেরও মিছিল চলছিল। তবে হামলার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ’


Top