রনি-রঞ্জন-তমিজসহ প্রার্থীতা ফিরে পেলেন যারা | daily-sun.com

রনি-রঞ্জন-তমিজসহ প্রার্থীতা ফিরে পেলেন যারা

ডেইলি সান অনলাইন     ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৫:২৬ টাprinter

রনি-রঞ্জন-তমিজসহ প্রার্থীতা ফিরে পেলেন যারা

 

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীতার পক্ষে-বিপক্ষে করা আপিলে নির্বাচন কমিশনের শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের ১১ তলায় শুনানির জন্য তৈরি ট্রায়াল রুমে এ শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামসুল হুদার আবেদনের শুনানির মাধ্যমে কমিশন এ কার্যক্রম শুরু করে।


শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) অন্যান্য কমিশনার, ইসির সচিব ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত আছেন।


শুনানির প্রথম দিনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীতা ফিরে পান। তাদের বেশিরভাগই ধানের শীষের প্রার্থী। স্বতন্ত্র কয়েকজন প্রার্থীও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মাওলা রনি, বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী মোর্শেদ মিল্টন, ঢাকা-২০ আসনে ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. তমিজ উদ্দিন ও ঢাকা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পান।


এছাড়া সাতক্ষীরা-২ আসনে জেএসডি মনোনীত প্রার্থী আফসার আলী, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, গাজীপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল।

 


মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সিংগাইর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মো. আইনাল হক, গাজীপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহবুব আলম ও মো. জয়নাল আবেদীন, খুলনা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা, হবিগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী ফ্রন্টের জুবায়ের আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল হেলালের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।


কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী, বরিশাল-২ আসনে আনিচুজ্জামান, ঢাকা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. সেলিম ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-৩ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান স্বাধীন, কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক, সিলেট-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা ফয়জুল মুনীর চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহাম্মদ তায়েবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ আনোয়ার আহম্মদ লিটনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু আসিফ, ঢাকা-১৪ আসনে জাকের পার্টির জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ আসনে এম এ বাসার, ঢাকা-১৪ আসনে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আব্দুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. মাহফুজার রহমানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি।

 


প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। গত ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ের পর নানা কারণে ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে গত সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত তিন দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট ৫৪৩টি আপিল জমা পড়েছে। বাকি ২৪৩ জন আপিল করেননি।     


প্রথম দিন ৩ ডিসেম্বর ৮৪, দ্বিতীয় দিন ৪ ডিসেম্বর ২৩৭ এবং শেষ দিন বুধবার ২২২টি আপিল জমা পড়ে।


এদের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার শুনানির প্রথম দিনে ১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ এবং তৃতীয় দিন ৩১১ থেকে ৫৪৩ পর্যন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।


উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

 

 


Top